Ad Code

E-passport Bangladesh

পাসপোর্ট কি? এর প্রয়োজনীয়তা এবং ই-পাসপোর্ট কী জেনে রাখুন।

পাসপোর্ট কি?

পাসপোর্ট এক ধরনের ভ্রমণ নথি, যা সাধারণত একটি দেশের সরকারকর্তৃক জারি করা হয়। এটি আন্তর্জাতিক ভ্রমনের সময় বাহকের জাতীয়তা ও পরিচয় প্রত্যয়িত করে। একটি পাসপোর্টে সাধারণত বাহকের নাম, জন্মের তারিখ ও স্থান, ছবি, স্বাক্ষর, এবং অন্যান্য চিহ্নিতকরণের তথ্য থাকে।

পাসপোর্ট
পাসপোর্ট

পাসপোর্ট এর প্রয়োজনীয়তাঃ 

বৈধভাবে পৃথিবীর যে কোন দেশে যেতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তির একটি পাসপোর্ট প্রয়োজন। এটি রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতিরও বড় দলিল। জাতীয় পরিচয়পত্র বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে অন্যতম জোরালো প্রমাণপত্র। কিন্তু দেশের গন্ডি পেরোলেই এ পরিচয়পত্র প্রায় অচল।সেখানে কেবল পাসপোর্টই ব্যাক্তির হয়ে স্বাক্ষ্য দিতে পারে। প্রমাণ করতে পারে তিনি বাংলাদেশের নাগরিক। তাই শুধু বিদেশ যাওয়া নয়, মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতির জন্যও প্রত্যেক নাগরিকেরই পাসপোর্ট থাকা উচিত।

তাছাড়া জীবনে অনেক প্রয়োজনের বিষয় হঠাৎ এসে হাজির হয়। একজন ছাত্র হয়তো আকষ্মিকভাবে বিদেশে একটি বৃত্তি পেয়ে যেতে পারেন, চাকরি জীবনে হঠাৎ আসতে বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ আবার নিজে বা পরিবাবরের কোনো সদস্যের অসুস্থতায় চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়া লাগতে পারে। আগে থেকে পাসপোর্ট না থাকলে এমন জরুরী অবস্থায় দিশেহারা হয়ে যেতে হয়। কারণ এটি এমন জিনিস যা চাইলেই এক/দু’দিনে পাওয়া সম্ভব নয়। তাই নিজের পাসপোর্টটি করে রাখাই ভালো।

ই-পাসপোর্ট
ই-পাসপোর্ট

ই-পাসপোর্ট কী

বর্তমানে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) বা যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্টের মতো ই-পাসপোর্টের বইও একই রকমের। তবে যন্ত্রে পাসপোর্টের বইয়ে প্রথমে যে তথ্য সংবলিত দুইটি পাতা থাকে, ই-পাসপোর্টে তা থাকে না। সেখানে বরং পালিমারের তৈরি একটি কার্ড ও অ্যান্টেনা থাকে। সেই কার্ডের ভেতরে চিপ থাকে, যেখানে পাসপোর্ট বাহকের সব তথ্য সংরক্ষিত থাকে। 

ই-পাসপোর্টের  ডাটাবেজে পাসপোর্টধারীর তিন ধরণের ছবি, ১০ আঙ্গুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ এবং স্বাক্ষর থাকে ফলে যেকোনো দেশের কর্তৃপক্ষ সহজেই ভ্রমণকারীর সম্পর্কে সব তথ্য জানতে পারবেন।


ই পাসপোর্ট কয় ধরনের 

ই-পাসপোর্ট দুই ধরনের। একটি ৪৮ পাতার, অন্যটি ৬৪ পাতার। এর মেয়াদ হয় ৫ ও ১০ বছরের। 

জেনে রাখুন

ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা জন্মনিবন্ধন সনদ (বিআরসি) অনুযায়ী পূরণ করতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক (১৮ বছরের কম) আবেদনকারী, যার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই, তার পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন আপনার ই-পাসপোর্টের আবেদনে যেন কোন প্রকার ডট ( . ) না থাকে।


Post a Comment

0 Comments